[{"id":"5738","title":"ন্যুন্যতম উচ্চ মাধ্যমিক পাসেই ইউএস-বাংলায় চাকরির সুযোগ","category":"চাকরির-খবর","content":"<p>সম্প্রতি জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি খাতের বিমান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান  ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটিতে নেটওয়ার্ক অ্যান্ড সিসিটিভি টেকনিশিয়ান পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।<\/p><p>প্রতিষ্ঠান: ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স লিমিটেড।<\/p><p>পদ: নেটওয়ার্ক অ্যান্ড সিসিটিভি টেকনিশিয়ান।<\/p><p>পদসংখ্যা: অনির্ধারিত।<\/p><p>শিক্ষাগত যোগ্যতা: যে কোন স্বীকৃত বিদ্যালয় থেকে এইচএসসি\/ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং (কম্পিউটার\/ইলেক্ট্রিক্যাল\/ইলেক্ট্রনিক্স)।<\/p><p>অতিরিক্ত যোগ্যতা: অ্যাক্সেস কন্ট্রোল, সিসিটিভি, পাওয়ার ক্যাবলিং, সুইচ\/রাউটার, টিসিপিআইপি, এয়ারলাইন, আইএসপি বিষয়ে দক্ষতা থাকতে হবে।<\/p><p>অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ১ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আবেদন করতে পারবে ফ্রেশাররাও।<\/p><p>বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে।<\/p><p>অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা: কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে।<\/p><p>চাকরির ধরন: ফুলটাইম।<\/p><p>প্রার্থীর ধরন: পুরুষ।<\/p><p>প্রার্থীর বয়স: ২২ থেকে ২৮ বছর<\/p><p>কর্মস্থল: দেশের যে কোন স্থান।<\/p><p>আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা এই লিংকের মাধ্যমে বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে পারবেন।<\/p><p>আবেদনের শেষ সময়: ২৫ নভেম্বর ২০২৩<\/p><p>সূত্র: বিডিজবস<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_8284.webp","created_at":"2023-11-17 22:27:00","views":"60","is_featured":"0","author":"নিজস্ব প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5737","title":"অফার চলছে আকাশ বাড়িতে","category":"বাণিজ্য","content":"<p>আকাশ বাড়িতে অফার চলছে।  টুর অপারেটর আকাশবাড়ী হলিডেজ এর ব্যবস্হাপনা পরিচালক ও সিইও তৌহিদুল আলম মিলকি,তাঁর প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বলেন \"আমার প্রতিষ্ঠান  স্বনামধন্য,প্রতিষ্ঠিত,কথায় কাজে এক একটি ট্রাভেল এজেন্সি। মানুষের ভ্রমণ-কে নিশ্চিত করে, ভ্রমণের যে সকল আনুষঙ্গিক  ব্যাপার রয়েছে সেগুলো কে আমরা নিশ্চিত করি ট্রাভেল-টুরিজম নিয়ে আমাদের কাজ। সাধারণত যারা বিদেশে ঘুরতে চায় বা দেশের ভিতরে যারা ঘুরতে চায় তাদের সমস্ত কিছু আমরা ম্যানেজ করি। এটাই আমাদের মূল কাজ।এছাড়া ও আমরা অন্য কাজও করি, যারা বিদেশে পড়তে চায় তাদেরকে আমরা স্টুডেন্ট কন্সালটেশন করি ও সাহায্য করি,  তাদের ফাইল প্রসেস করি, তাদের খুটিনাটি যাবতীয় কাজ আমরাই প্রসেসিং করি।আমাদের প্রতিষ্ঠান কথায় কাজে এক,কোয়ালিটি ও মানের ব্যাপারে  আমাদের কোন আপষনাই।আমরা স্বল্প মূল্য সারা পৃথিবীতে টুর অপারেট করি,আপনি শুধু আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন আর পেমেন্ট করবেন বাকী সকল আয়োজন নিরাপদ ও আনন্দদায়ক করার দ্বায়িত্ব আমাদের। আমাদের বর্তমানে ১০০ টি প্যাকেজ চলমান আছে।আকাশ বাড়ি হলিডেজ ১০ এবং ১১ নভেম্বর যে মেলা করছে তাতে অভুতপূব সারা পেয়েছে  অনেক ভালো, অত্যাধিক ভালো রেসপন্স ছিল ক্লায়েন্টের। প্রায় হাজার হাজার মানুষ আমাদের এখানে এসেছিল।পুরো হল রুম ভরা ছিল। it was big show অনেক ভালো হয়েছে ইনশাআল্লাহ। মানুষ অনেক সারা দিয়েছে।আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই সকলকে।বাংলাদেশে ট্যুরিজম নিয়ে এতো ট্রাভেল এজেন্সি  এতো প্রতিষ্ঠান থাকতে আকাশ বাড়ি হলিডেজ মানুষ বেছে নিচ্ছে আস্তার কারণে। মানুষ আকাশ বাড়িতে আসে। কারণ ১২ বছর যাবৎ আকাশবাড়ী  যেই কাজটা করছে, সেটা হলো মানুষের আস্তা অর্জন করার চেষ্টা এবং বিদেশ ভ্রমণ এটা কে এতটা সহজ করেছে যা শুধু মাত্র আকাশ বাড়ি হলিডেজ'ই করেছে তাদের দ্বারাই সম্ভব।আকাশ বাড়ি এটার পদ-পদর্শক। বিদেশেও যে অল্প প্রাইজে ঘুরা যায় সে রাস্তা দেখিয়ে দিয়েছি আকাশবাড়ী।এমডি বলেন \"সেই আস্তার যায়গাটা আমাদের এখনও আছে, এমনকি এখনও হাজার হাজার লোক আমাদের কাছে আসে। পর্যটন শিল্প নিয়ে, পর্যটন নিয়ে,  আকাশ বাড়ি নিয়ে - বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে কিভাবে প্রসারিত করা যায় তা নিয়ে আমরা আরো কাজ করতে চাই,  পর্যটন শিল্পটাকে কিভাবে বিকাশিত করা যায় এবং আকাশ বাড়ি কে নিয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনা অনেক কিছু আমাদের।  আমাদের হোটেল-রিসোর্ট'স আসছে। আমরা চেইন অফ হোটেল করবো বাংলাদেশে। এমনকি আরও আরও বেশি বেশি মানুষকে আমরা বিদেশ নেয়ার ব্যবস্থা করবো। এবং বিদেশে যত মানুষ যাবে বাংলাদেশের মানুষকে চিনবে, বাংলাদেশকে চিনবে। বিশাল একটা ব্রান্ডিং হওয়ার যায়গা করব, তারপরও আমরা চাই মানুষ বাংলাদেশে আসুক বিকজ আমাদেরও পর্যটন আনতে হবে। ফরেন রেমিট্যান্স আমাদের আনতে হবে, সেই ব্যপারেও আমরা খুবই জোড়ালো কাজ করছি। আশা করছি ভবিষ্যতে আমরা অনেক মানুষকে আমরা আমাদের দেশে আনতে পারবো। ইনশাআল্লাহ।\"<\/p><p> <\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_5369.webp","created_at":"2023-11-18 02:49:00","views":"63","is_featured":"0","author":"অনলাইন প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5736","title":"রিজার্ভ এখন ১৯ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার","category":"বাণিজ্য","content":"<p>আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফের পদ্ধতি অনুযায়ী গত এক সপ্তাহে দেশের রিজার্ভ কমেছে ১ দশমিক ১৮ বিলিয়ন (১১৮ কোটি) ডলার।<\/p><p>বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।<\/p><p>এতে বলা হয়, গত ৮ই নভেম্বর আইএমএফের বিপিএম-৬ (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন) ম্যাথডের ভিত্তিতে রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন। বুধবার সেই রিজার্ভ নেমে এসেছে ১৯ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলারে।<\/p><p>অবশ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবায়ন পদ্ধতি অনুযায়ী এক সপ্তাহ আগে ৮ই নভেম্বর রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। আর ১৫ই নভেম্বর এটি কমে দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ ৭ দিনের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভ কমেছে ১ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার।বিশ্বজুড়ে প্রচলিত ও বহুল ব্যবহৃত আইএমএফের ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) অনুযায়ী, রিজার্ভ গণনায় বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন তহবিলের পাশাপাশি বিমানকে দেওয়া ঋণ গ্যারান্টি, পায়রাবন্দর কর্তৃপক্ষকে দেওয়া ঋণ, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকে আমানত এবং নির্দিষ্ট গ্রেডের নিচে থাকা সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ রিজার্ভের অন্তর্ভুক্ত নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক আগে এগুলোকেও রিজার্ভ হিসাবে দেখিয়ে আসছিল।<\/p><p>এসব হিসাব বাদ দেওয়ার কারণে রিজার্ভ থেকে ৫ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার কমে যায়। তবে এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা শুধু আইএমএফকে দেওয়া হয়। তবে তা প্রকাশ করা হয় না।<\/p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সেই হিসাবে দেশের প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এখন যে পরিমাণ প্রকৃত রিজার্ভ আছে, তা দিয়ে শুধু ৩ মাসের আমদানি খরচ মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশে ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন শেষ প্রান্তে রয়েছে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ।<\/p><p>কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সংকটের কারণে রিজার্ভ থেকে বাজারে প্রচুর ডলার বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া এ মাসে আকুর বিলও পরিশোধ হয়েছে। রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবাহ কম-এসব কারণেই মূলত রিজার্ভ কমছে।<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_8148.webp","created_at":"2023-11-18 13:37:00","views":"25","is_featured":"0","author":"নিজস্ব প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5735","title":"জাত পরিবর্তনে তিন ফসলি জমিতে চার ফসল আবাদ, বাড়তি ফসল হিসেবে সরিষা চাষের সুযোগ","category":"বাণিজ্য","content":"","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_5768.webp","created_at":"2023-11-23 19:06:00","views":"54","is_featured":"0","author":"আব্দুল্লাহ আল আলীম","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5734","title":"একাধিক ঘূর্ণিঝড়ে বিলম্বিত লবণ মৌসুম, সংকটের আশঙ্কা","category":"বাণিজ্য","content":"<p>প্রতি বছর নভেম্বর থেকে দেশে শুরু হয় লবণ উৎপাদন মৌসুম। ঘূর্ণিঝড় হামুন ও মিধিলির হানায় এবার শুরুতেই কিছুটা ছেদ পড়েছে উৎপাদনে। সে রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শিগগির আসতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘মিচাউং’। প্রাকৃতিক কারণে ঠিকঠাক লবণ উৎপাদনে যেতে পারছেন না চাষিরা। আর উৎপাদন ব্যাহত হলে এর প্রভাব পড়তে পারে বাজারে। যদিও অগ্রিম সতর্কতা হিসেবে এরই মধ্যে এক লাখ টন লবণ আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার।<\/p><p>আমদানির অনুমতি পাওয়া লবণ পাইপলাইনে রয়েছে। ডিসেম্বর মাসের ২০ তারিখের মধ্যে এসব লবণ দেশে এসে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন লবণ মিল মালিকরা।বড় আমদানিকারক ও লবণ মিল মালিক সমিতির সভাপতি নুরুল কবির জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমদানির অনুমতি পাওয়া একটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বাকি সব প্রতিষ্ঠান এলসি খুলেছে। আশা করা হচ্ছে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে ওইসব লবণ দেশে পৌঁছাবে। এরই মধ্যে কিছু লবণ জাহাজীকরণ শুরু হয়েছে।’<\/p><p>উৎপাদন যেভাবে ব্যাহত হচ্ছে, তাতে লবণের সংকট হতে পারে। এখন কারও হাতে লবণ নেই। আমদানি হবে সে খবরে বাজার স্থিতিশীল আছে। তবে উৎপাদন ঠিক না থাকলে দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।–আমদানিকারক<\/p><p>তিনি বলেন, ‘দ্রুত দেশে আনতে ভারতের গুজরাট থেকে লবণ আমদানি হচ্ছে। আগামী মাসের পুরো সময় এসব লবণ দেশের চাহিদা মেটাবে। যতটুকু লবণ (এক লাখ টন) আসছে সেটা মাত্র ১২-১৫ দিনের চাহিদা মেটাবে। আরও বেশি পরিমাণে লবণ আনা প্রয়োজন ছিল।’<\/p><p>নুরুল কবির বলেন, ‘উৎপাদন যেভাবে ব্যাহত হচ্ছে, তাতে লবণের সংকট হতে পারে। এখন কারও হাতে লবণ নেই। আমদানি হবে সে খবরে বাজার স্থিতিশীল আছে। তবে উৎপাদন ঠিক না থাকলে দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।’<\/p><p>দেশে একমাত্র উৎপাদিত পণ্য লবণ, যা দিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ পুরো দেশ। দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালীর কিছু জায়গা ও কক্সবাজারে উৎপাদন হয় এ লবণ। তবে উৎপাদনের সিংহভাগই হয় কক্সবাজারে। নভেম্বর থেকে মে মাস ধরা হয় লবণের মৌসুম। এখন আগামী মৌসুমের লবণ উৎপাদন চলছে। ২০২৩ সালে উৎপাদন হয়েছে ২২ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন লবণ।<\/p><p>বিসিক প্রধান কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও লবণ সেলের প্রধান সারওয়ার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যে ঘাটতি ছিল এক লাখ ৫৫ হাজার টন। এবছর চাহিদা ছিল ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টন। যে কারণে মৌসুম শেষে সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।’‘ডিসেম্বর মাসের জন্য দুই লাখ টন লবণের চাহিদা রয়েছে, কিন্তু আমাদের মজুত রয়েছে এক লাখ ৩২ হাজার টন। উৎপাদন ঠিক থাকলে সমস্যা হবে না।’<\/p><p>তিনি বলেন, ‘এ মৌসুমের শুরুতেই নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড় হামুনের জন্য সিজন ১৫ দিন দেরি হয়, এরপর মিধিলি। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এখনো ভালোভাবে শুরু হয়নি উৎপাদন। এ পর্যন্ত মাত্র তিন হাজার ৬৩৪ টন উৎপাদন হয়েছে, যা গত মৌসুমের এই সময়ের চেয়ে অনেক কম।’<\/p><p>সারওয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের মাঠ প্রস্তুত। তবে আরেকটা ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এবার চাষিরা মাঠে নেমে দু’দফা ঘূর্ণিঝড় পেয়েছে। বারবার সমস্যা হচ্ছে। এখন ৮০ শতাংশ চাষি নতুন করে মাঠে নেমেছে। আবারও ঘূর্ণিঝড় আসছে। সব মিলে খুব সমস্যা হচ্ছে।’<\/p><p>তিনি জানান, গত বছর ৬৬ হাজার ৪২৪ একর জমিতে লবণ চাষ হয়েছে। এবছর আরও বাড়বে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে বারবার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।<\/p><p>শেষ মৌসুমে গত ৬২ বছরের মধ্যে দেশে রেকর্ড লবণ উৎপাদন হয়। তারপরও ক্রমাগত চাহিদা বাড়ায় লবণ সংকটের আশঙ্কা করছে শিল্প মন্ত্রণালয়। যে কারণে লবণ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় চাষি, মজুতদার ও মিল মালিকদের মধ্যে।<\/p><p>উৎপাদন যেভাবে ব্যাহত হচ্ছে, তাতে লবণের সংকট হতে পারে। এখন কারও হাতে লবণ নেই। আমদানি হবে সে খবরে বাজার স্থিতিশীল আছে। তবে উৎপাদন ঠিক না থাকলে দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।–বিসিক লবণ সেলের প্রধান<\/p><p>বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ২২ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন লবণ উৎপাদন হয়েছে। বাণিজ্যিকভাবে লবণ চাষে গত ৬২ বছরে কখনো এত লবণ উৎপাদন হয়নি। সবশেষ ২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি ১৮ লাখ ১৫ হাজার ১৫৬ মেট্রিক টন লবণ উৎপাদন হয়েছিল।<\/p><p>এরপরও লবণের উৎপাদন চাহিদার তুলনায় কম। এ কারণে ৭ নভেম্বর ২৬৪ প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টন লবণ আমদানির অনুমোদন দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আমদানির কারণ হিসেবে বলা হয়েছে ‘প্রাকৃতিক কারণে এবার লবণ উৎপাদন মৌসুম অন্তত ১৫ দিন পরে শুরু হয়েছে। পূর্ব সতর্কতা হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’<\/p><p>প্রতি বছর ১৫ নভেম্বর থেকে ১৫ মে পর্যন্ত লবণ উৎপাদন মৌসুম ধরা হয়। তবে বছরজুড়ে মাঠে উৎপাদিত লবণের দাম বেশি পাওয়া ছাড়াও সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর কারণে চাষিরা আগাম লবণ উৎপাদনে মাঠে নেমেছেন। একই সঙ্গে চাষের পরিধি, লবণ চাষি, মৌজার সংখ্যাও বেড়েছে। চলতি (২০২৩-২৪) অর্থবছরে লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ লাখ ২৮ হাজার টন, যা গত মৌসুমে ছিল ২৩ লাখ ৮৫ হাজার টন।<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_3976.webp","created_at":"2023-11-27 14:27:00","views":"34","is_featured":"0","author":"নিজস্ব প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5733","title":"পোশাকে নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কায় দূতাবাসের চিঠি","category":"বাণিজ্য","content":"<p>বাংলাদেশের নির্বাচনকেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে পশ্চিমাদের চাপ দিন দিন দৃশ্যমান হচ্ছে। ন্যূনতম শ্রম মজুরিকে নিয়ে সাম্প্রতিক শ্রম আন্দোলনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দেশটির নতুন শ্রমনীতি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ব্যবহারের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।<\/p><p>শ্রমনীতিকে ভিত্তি করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ইতিমধ্যে সরকারকে সতর্ক করেছে। দেশের রপ্তানির প্রধান খাত পোশাকের ওপরই এ খড়গ আসতে পারে। দেশের রপ্তানি আয়ের ৮৫ শতাংশই আসে এ খাত থেকে।<\/p><p>বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ১৮ শতাংশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসে। এ আয়ের ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশই আসে পোশাক রপ্তানির মাধ্যমে। যদিও বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে জিএসপি সুবিধা পায় না। সর্বোচ্চ কর দিয়ে দেশটিতে রপ্তানি করে আসছেন ব্যবসায়ীরা।<\/p><p>তারপরও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো সিদ্ধান্তের প্রভাব পশ্চিমা দেশগুলোতেও পড়ে, যেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের অর্ধেকের বেশি আসে।<\/p><p>গত ২০ নভেম্বর ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের মিনিস্টার (বাণিজ্য) মো. সেলিম রেজা স্বাক্ষরিত চিঠিতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ইস্যু করা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের ঘোষণা দেওয়া ‘মেমোরেন্ডাম অন অ্যাডভান্সিং ওয়ার্কার এমপাওয়ারমেন্ট, রাইটস অ্যান্ড হাই লেবার স্ট্যান্ডার্ডস গ্লোবালি’ শীর্ষক সংকলিত রিপোর্টটি সদয় বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়েছে।<\/p><p>চিঠিতে বলা হয়েছে, যদিও এই ‘মেমোরেন্ডাম’ মনে হচ্ছে বিশ্বব্যাপী সব দেশের ওপরই প্রযোজ্য, তবু এটা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ আছে যে, এর অন্যতম লক্ষ্য হতে পারে বাংলাদেশ।<\/p><p>রিপোর্টটি প্রকাশের সময় নির্দিষ্ট করে বাংলাদেশের শ্রম ইস্যুকে উদ্ধৃত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ভারপ্রাপ্ত শ্রমবিষয়ক মন্ত্রী। এই ‘মেমোরেন্ডাম’ অনুযায়ী, শ্রমবিষয়ক ইস্যুগুলোতে সরাসরি প্রভাব (ইন্টার‌্যাক্ট\/ডিল) বিস্তার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রবিষয়ক মিশনগুলো।<\/p><p>এ নীতির ফলে অনেক অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপে আগ্রহী মার্কিন কূটনীতিক বা মিশনগুলো উৎসাহিত হতে পারে। দৃশ্যত যদি তারা মনে করে বা বিশ্বাস করে যে, শ্রম অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে তাহলে এ সুযোগকে যেকোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আরোপ করা হতে পারে।<\/p><p>এই ‘মেমোরেন্ডামের’ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বহু কারণে উদ্বেগজনক হতে পারে। ‘মেমোরেন্ডামে’ শ্রম অধিকার বিষয়ে যা বলা হয়েছে তার নেপথ্যে আছে রাজনীতি। যুক্তরাষ্ট্র ভিন্ন উপায়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের চেষ্টা করতে পারে তা।<\/p><p>তবে সরকারের পক্ষ থেকে বরাবরই বলা হচ্ছে এটি নিয়ে সরকার ভীত নয়।<\/p><p>বুধবার (২৯ নভেম্বর) বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি তার নির্বাচনী এলাকায় রংপুরের সেন্ট্রাল রোডের নিজ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘আমেরিকা-ইউরোপ মিলে পোশাক রপ্তানি বন্ধে যে পাঁয়তারা করছে, তা বাস্তবায়ন হবে না।’<\/p><p>তার মতে, রাজনীতি ও ব্যবসা আলাদা জিনিস। এ দুটি দেশ এমন কিছু করবে না, যার প্রভাব বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে পড়ে। এজন্য তিনি উদ্যোক্তাদের উদ্বিগ্ন না হওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন।<\/p><p>বাংলাদেশ দূতাবাসের ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, “এই ‘মেমোরেন্ডাম’ বাংলাদেশের জন্য একটি সিগন্যাল। কারণ ‘মেমোরেন্ডামে’ বর্ণিত শ্রম ইস্যুর অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারে। এই মেমোরেন্ডাম বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের আগে থেকেই বিষয়টি আমলে নেওয়া উচিত।”<\/p><p>তবে ব্যবসায়ীরা এখনো প্রত্যাশা করছেন শ্রম ইস্যুতে নিষেধাজ্ঞার এ বিষয়টি রাজনীতিকরণ করা হবে না। কারণ বাংলাদেশ সব ধরনের শ্রম আইন মেনে চলছে।<\/p><p>রাজনৈতিক কারণে এ ধরনের কোনো নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা প্রসঙ্গে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘আমি মনে করি রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়, ইউএসএ এটাকে যেন ট্যাগ না করে। তাহলে দেশের শ্রমিক ও জনগণই এটার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে।<\/p><p>এ ব্যাপারে সরকারও যেন সতর্ক থাকে, এটাকে অ্যাড্রেস করে যেন পদক্ষেপ নেয়। আমাদের পক্ষ থেকে সরকারকেও বলেছি। যেসব উন্নত রাষ্ট্র আছে তাদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার মধ্যে আছি। তারা যা যা চাচ্ছে সেগুলোকে আমরা চিহ্নিত করছি, সমাধানের চেষ্টা করছি।’<\/p><p>নিষেধাজ্ঞা না দেওয়ার যুক্তি হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমি এখনো মনে করি কেউ এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেবে না। আমরা শ্রম আইন মেনে চলি। তাদের আইনে বলা আছে, শ্রম আইন লঙ্ঘন করলে তারা ব্যবস্থা নেবে।<\/p><p>তারা আমাদের বিভিন্ন পরিবর্তনের কথা বলে, আমরা সেটি করছি। গত ১০ বছরে শ্রম আইন তিনবার পরিবর্তন হয়েছে। সবসময় শ্রমিকদের পক্ষেই সেই পরিবর্তন হয়েছে। আগে যা ছিল তার চেয়েও ভালো করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে শ্রমনীতি করেছে। সেখানে বলা আছে, যদি সেটি লঙ্ঘন করা হয় তাহলে সেটি প্রয়োগ করা হবে। লঙ্ঘন না করলে তা হবে না।<\/p><p>আমরা এটিও নিশ্চিত করব, আমরা যারা ইউএসএতে রপ্তানি করি তারা যাতে কেউ সেটি লঙ্ঘন না করে।’<\/p><p>ফারুক হাসান বলেন, ‘কোনোদিনই দেশটিতে ডিউটি ফ্রি এক্সেস ছিল না, এখনো নেই। ৯৭ শতাংশই জিএসপির মধ্যে পড়ে। শুধু পোশাক এর মধ্যে নেই। পোশাক পড়েছে ৩ শতাংশের মধ্যে।<\/p><p>আফ্রিকান অনেক দেশের সেখানে ডিউটি ফ্রি এক্সেস আছে, যেখানে শ্রম আইনের বাস্তবায়ন আমাদের চেয়ে অনেক কম। অথচ আমরা কিছুই পাই না। আমাদের গড় শুল্ক সেখানে সবার চেয়ে বেশি। তারপরও আমরা শ্রম আইন মেনে চলছি, আগামীতেও আমরা আরও সতর্ক হব। আমি মনে করি, যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের কোনো পদক্ষেপ নেবে না।’<\/p><p>এ ব্যবসায়ী নেতার মতে, যেহেতু ইউএসএ শ্রমিকদের জন্য কথা বলে, তাদের নিষেধাজ্ঞার কারণে এসব কারখানা বন্ধ হলে শ্রমিকরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।<\/p><p>সর্বশেষ ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৫৫ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে প্রায় ৪৭ বিলিয়ন ডলারই এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে। কিন্তু একই বছর পোশাকের প্রধান গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ কমে ৯ দশমিক ৮২ বিলিয়নে ঠেকেছে।<\/p><p>এর আগের অর্থবছর অর্থাৎ ২০২১-২২ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি হয়েছিল ১০ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার। দেশটিতে পোশাক রপ্তানি কমার প্রবণতা চলতি অর্থবছরও অব্যাহত রয়েছে।<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_3564.webp","created_at":"2023-11-29 15:44:00","views":"29","is_featured":"0","author":"নিজস্ব প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5732","title":"বিশ্ববাজারে রেকর্ড দামে সোনা","category":"বাণিজ্য","content":"<p>বিশ্ববাজারে হঠাৎ করে সোনার দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ ধাতুটির দাম। এতে সৃষ্টি হয়েছে নতুন রেকর্ড। অতীতের রেকর্ড ভেঙে বিশ্ববাজারে সোনার দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। সামনে সোনার দাম আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।<\/p><p>বিশ্ববাজারে সোনার দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ার মধ্যে দেশের বাজারেও এ ধাতুটির দামে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) থেকে হুটহাট সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসছে। এতে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে দেশের বাজারে বর্তমানে সর্বোচ্চ দামে বক্রি হচ্ছে সোনা।<\/p><p>অবশ্য এ রেকর্ডও যে কোনো সময় ভেঙে যেতে পারে। কারণ বিশ্ববাজারে সোনার দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। তারা ধারণা করছেন, নতুন সপ্তাহে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রথমবারের মতো দুই হাজার একশ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। সেটি হলে দেশের বাজারেও সোনার দাম নতুন করে বাড়ানোর ঘোষণা আসবে।<\/p><p>হঠাৎ সোনার দামে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর সঙ্গে সামনে বিভিন্ন দেশে নির্বাচন আসছে। সবকিছু মিলে এক ধরনের অনিশ্চিত অবস্থার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এসব কারণে বৈশ্বিক এক ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে হঠাৎ সোনার চাহিদা বেড়ে গেছে। আর চাহিদা বাড়ার কারণে দামও বেড়েছে।<\/p><p>বিশ্ববাজারে সোনার লেনদেনের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহের শুরুতে প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ২ হাজার ১ দশমিক ২৩ ডলার। সপ্তাহ শেষে তা বেড়ে ২ হাজার ৭১ দশমিক ৯৭ ডলারে চলে এসেছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে সোনার দাম বেড়েছে ৭০ দশমিক ৭৪ ডলার বা ৩ দশমিক ৩০ শতাংশ। এর মধ্যে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসেই দাম বেড়েছে ৩৬ দশমিক ২১ ডলার বা ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।<\/p><p>বিশ্ববাজারে সোনার এমন দাম বাড়ার মধ্যে দেশের বাজারেও দফায় দফায় সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। এমনকি ১০ দিনের মধ্যে তিন দফা সোনার দাম বাড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গত ৩০ নভেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়। এতে সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম রেকর্ড ১ লাখ ৯ হাজার ৮৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের বাজারে এখনো পর্যন্ত এটি সোনার সর্বোচ্চ দাম।<\/p><p>বাজুস থেকে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয় গত ২৯ নভেম্বর। এরপর বিশ্ববাজারে আরও দুই কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এ দুই কার্যদিবসে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৪০ ডলার বেড়ে গেছে। এতে বিশ্বাবাজারে সোনার দামে নতুন রেকর্ডও সৃষ্টি হয়েছে। গত সপ্তাহের শেষে কার্যদিবসের লেনদেনে প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৭২ ডলার পর্যন্ত উঠে। এর আগে ২০২০ সালের আগস্টে প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৫১ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল।<\/p><p>যোগাযোগ করা হলে বাজুসের সাবেক সভাপতি ওয়াদুদ ভূইয়া জাগো নিউজকে বলেন, বিশ্ববাজারে সোনার এত দাম আমি আগে কখনো দেখিনি। সামনে সোনার দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ধারণ করা হচ্ছে এবার প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার এক’শ ডলার হয়ে যাবে।<\/p><p>তিনি বলেন, যখন অনিশ্চয়তা দেখা দেয় তখন সোনাসহ বিভিন্ন ধাতুর চাহিদা বেড়ে যায়। এখন ইসরায়েল-ফিলিস্তিন এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এক ধরনের বৈশ্বিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তাছাড়া সামনে বিভিন্ন দেশে নির্বচন আসছে। ফলে এক ধরনের অনিশ্চিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে হার্ড কারেন্সির (ডলার, ইউরোসহ বিভিন্ন মুদ্রা) পরিবর্তে সোনাসহ বিভিন্ন ধাতুর চাহিদা বেড়ে গেছে। ফলে দাম বেড়েছে।<\/p><p>বাজুসের সাবেক আরেক সভাপতি এনামুল হক জাগো নিউজকে বলেন, দাম বাড়ার কারণ-সোনার যে পরিমাণ চাহিদা, সেই পরিমাণ সরবরাহ নেই। এ চাহিদা বাড়ার কারণ মানুষ সোনাকে নিরাপদ মনে করে।<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_3393.webp","created_at":"2023-12-02 22:18:00","views":"25","is_featured":"0","author":"নিজস্ব প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5731","title":"নোমান গ্রুপে ম্যানেজার পদে চাকরি, ৪০ বছরেও আবেদন","category":"চাকরির-খবর","content":"<p>শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান নোমান গ্রুপে ‘ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।<\/p><p>প্রতিষ্ঠানের নাম: নোমান গ্রুপ<\/p><p>বিভাগের নাম: ওভেন ইয়ার্ন সেলস<\/p><p>পদের নাম: ম্যানেজার<\/p><p>পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়<\/p><p>শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক\/বিএসসি (টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং)<\/p><p>অভিজ্ঞতা: ০৫ বছর<\/p><p>বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে<\/p><p>চাকরির ধরন: ফুল টাইম<\/p><p>প্রার্থীর ধরন: পুরুষ<\/p><p>বয়স: ৩২-৪০ বছর<\/p><p>কর্মস্থল: গাজীপুর (টঙ্গী)<\/p><p>আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।<\/p><p>আবেদনের শেষ সময়: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩<\/p><p>সূত্র: বিডিজবস ডটকম<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_3264.webp","created_at":"2023-12-02 22:24:00","views":"34","is_featured":"0","author":"নিউজ ডেস্ক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5730","title":"বাংলাদেশ শিক্ষিত উদ্যোক্তাদের সাফল্যের জন্য আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাচ্ছে-রমজান আলী","category":"বাণিজ্য","content":"<p>বাংলাদেশ শিক্ষিত উদ্যোক্তাদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে ইঞ্জিনিয়ার  মো: রমজান আলী চেয়ারম্যান  জেনারেশন গ্রুপ <\/p><p>আমাদের প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপ কালে তিনি বলেন। বর্তমান সরকারের আমলেই বাংলাদেশে শিক্ষিত উদ্যোক্তাদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে আমি মনে করি। একটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার দৃশ্যমান দিক হচ্ছে অবকাঠামো উন্নয়ন। প্রযুক্তিগত উন্নয়ন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে আরো গতিশীল করে তুলছে।<\/p><p>১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। কিছুদিন আগেই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় ছিল। ধারণা করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হবে। যোগ্য নেতৃত্ব, যথাযথ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, মানবসম্পদ উন্নয়ন,অবকাঠামো ও প্রযুক্তির উন্নয়ন, বৈদেশিক বাণিজ্যের বিস্তৃতি,বৈদেশিক কর্মসংস্থান,শক্তিশালী বাজার পরিকল্পনা প্রভৃতির কারণে বাংলাদেশ যেভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তা নজিরবিহীন। বড়ো বড়ো প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশের জনমানুষের বহুকাঙ্ক্ষিত পদ্মসেতু।<\/p><p>নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণের সফলতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে একটি মাইল ফলক। ঢাকার মেট্রোরেল সহ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র,পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর, দেশে ছোট বড়ো অনেক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।  ই- পেমেন্ট, মোবাইল ব্যাংকিং, থ্রি - জি ও ফোর-জি প্রযুক্তি মোবাইল নেটওয়ার্কের বাণিজ্যিক কার্যক্রম। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত ছবি ও তথ্যের মাধ্যমে দেশের সম্প্রচার কার্যক্রম সমৃদ্ধ হয়েছে। কৃষি শিল্প,পোশাক শিল্প, ঔষধ শিল্পসহ প্রতিটি শিল্পখাতের আকার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সুবিধা বেড়েছে চাকরি নির্ভরতা কমেছে, উদ্যোক্তার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই তরুণ ও নতুন উদ্যোক্তাদের সরকারের পক্ষ থেকে আরো সুযোগ সুবিধা দেওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করছি।<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_1295.webp","created_at":"2023-12-10 20:57:00","views":"30","is_featured":"0","author":"সানজিদা রুমা:","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5729","title":"শাকিব খানের নতুন ছবি 'তুফান', পরিচালক রায়হান রাফী","category":"মিডিয়া","content":"<p>রায়হান রাফীর পরিচালনায় এবার ‘তুফান’ সিনেমা নিয়ে হাজির হচ্ছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের সুপারস্টার শাকিব খান। সিনেমাটি প্রযোজনা করছে আলফা আই, চরকি এবং পশ্চিমবঙ্গের স্বনামধন্য প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফ।<\/p><p>সোমবার (১১ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্টরা জানান, শাকিব খানের মত বড় তারকা নিয়ে বড় ক্যানভাসেই সিনেমাটি বানাবেন তারা। সিনেমাটি বৈশ্বিক বাজারে বড় ব্যবসা করবে বলে প্রত্যাশা তাদের।<\/p><p>শাকিব খান বলেন, দুই দেশের বড় তিন প্রযোজনা সংস্থা মিলে এই সিনেমার পিছনে লগ্নী করছে। আমরা কিন্তু একটা স্বপ্ন নিয়েই এই যৌথভাবে আগাচ্ছি। সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের সিনেমা বিশ্ববাজারে আরও বড় কিছু ঘটানোর।<\/p><p>সিনেমা প্রসঙ্গে রাফী বলেন, সুড়ঙ্গ সিনেমার পর আমার অনেক বড় স্বপ্ন ছিলো বড় আয়োজনে সিনেমা বানানোর। সেটা এবার পূরণ হতে যাচ্ছে। দেশের বড় সুপারস্টারের সাথে কাজ করছি। এটা আমার অনেক বড় পাওয়া।<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_3176.webp","created_at":"2023-12-11 01:16:00","views":"29","is_featured":"0","author":"অনলাইন ডেস্ক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5728","title":"ঐশ্বরিয়ার সাথে বিচ্ছেদের গুঞ্জন, যা বললেন অভিষেক","category":"মিডিয়া","content":"<p>গত কয়েক মাস ধরে বলিপাড়ায় একটাই কানাঘুষো, ‘জলসা’য় অশান্তি নাকি আর থামানো যাচ্ছে না। বলিউডের নামজাদা বচ্চন পরিবারের চিড় নাকি দিন দিন আরো বাড়ছে। গত ১ নভেম্বর নিজের ৫০তম জন্মদিন একাই কাটিয়েছিলেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বচ্চন পরিবারের বৌমা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। স্রেফ মেয়ে আরাধ্যা বচ্চন ও মা বৃন্দা রাইকে পাশে নিয়ে নিজের ওই বিশেষ দিন উদ্‌যাপন করেছিলেন তিনি। সে দিন ঐশ্বরিয়ার পাশে দেখা যায়নি স্বামী অভিষেক বচ্চন বা বচ্চন পরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে। সমাজমাধ্যমের পাতাতেও প্রায় শুকনো মুখেই স্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে দায় সেরেছিলেন জুনিয়র বচ্চন। দিন কয়েক আগে এক অনুষ্ঠানে তার হাতে দেখা যায়নি বিয়ের আংটিও। তার পরেই খবর পাওয়া যা, ‘বৌরানি’ ঐশ্বরিয়াকে নাকি সমাজমাধ্যমের পাতায় আনফলো করে দিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন নিজে! এবার নিজের ব্লগেই সব বিরক্তি উগরে দিলেন বিগ বি।<\/p><p>সম্প্রতি নিজের ব্লগে অমিতাভ জানান, তিনি নাকি বিরক্ত ও বীতশ্রদ্ধ। কার উপরে এমন মেজাজ হারালেন তিনি? উঠছে প্রশ্ন। তবে বিগ বি-র এই বিরক্তির নেপথ্যে তার পরিবারের কোনো সদস্য বা পারিবারিক অশান্তি নেই। বরং, প্রযুক্তিগত কারণে নাকি ধৈর্য হারিয়ে ফেলছেন তিনি। অমিতাভ লেখেন, ‘ব্লগে কোনো একটা ছবি আপলোড হতে যা সময় লাগছে.. আমি রীতিমতো বিরক্ত!’ বিগ বি জানান, ইন্টারনেটে কানেকশন দুর্বল হওয়ার কারণেই নাকি নিজের ব্লগে ছবি আপলোড করতে বেশি সময় লাগছে তার। বিগ বি জানান, ‘কওন বনেগা ক্রোড়পতি’-র শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝে ব্লগ লেখা ও পোস্ট করার সময়ই পাচ্ছেন না তিনি। এত দিন ধরে নিয়মিত ব্লগ লিখতে না পারার কারণে ক্ষমাও চেয়েছেন বিগ বি।<\/p><p>এ দিকে সম্প্রতি অমিতাভের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল ঘেঁটে দেখা যায়, ঐশ্বরিয়াকে আর ফলো করেন না তিনি। নেটাগরিকদের একটা অংশের দাবি, ইনস্টাগ্রামে নাকি কোনো দিনই একে অপরকে ফলো করতেন না অমিতাভ ও ঐশ্বরিয়া। তাই আনফলো করার প্রশ্নই ওঠে না। আবার নেটাগরিকদের অন্য এক অংশের মত, ইনস্টাগ্রামে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিশেষ কারসাজির কারণেই নাকি দেখা যাচ্ছে না বিগ বি আদৌ ঐশ্বরিয়াকে ফলো করেন কি না।<\/p><p>সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_4082.webp","created_at":"2023-12-11 22:32:00","views":"30","is_featured":"0","author":"অনলাইন ডেস্ক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5727","title":"এই সপ্তাহের সেরা চাকরির খবর","category":"চাকরির-খবর","content":"<p>দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে চাকরির বাজার। বেকারত্বের হার বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। এমন হতাশার মধ্যেও কিছু সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আশার আলো দেখায়। তবে তার জন্য নিজেকে আপডেট রাখতে হবে।<\/p><p>তাই চাকরিপ্রার্থীদের জন্য তুলে ধরা হলো সপ্তাহের সেরা চাকরির বিজ্ঞাপনগুলো।বাংলার আলো নিউজের সঙ্গে থাকুন, খুঁজে নিন আপনার পছন্দের চাকরি—<\/p><p>সরকারি চাকরি<\/p><p>ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চাকরি<\/p><p>শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি<\/p><p>বেসরকারি চাকরি<\/p><p>এনজিও চাকরি<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_2159.webp","created_at":"2023-12-14 12:22:00","views":"43","is_featured":"0","author":"বাংলারআলো ডেস্ক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5726","title":"সারা দেশে নির্বাচনের সাড়া পড়ে গেছে : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী","category":"বাণিজ্য","content":"<p>ঢাকা: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সারা দেশে নির্বাচনের সাড়া পড়ে গেছে। মানুষ বিশ্বাস করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে স্বপ্নের জায়গায় নিয়ে যাবেন।<\/p><p>প্রতিমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার ২১ ডিসেম্বর, ২০২৩ ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁয়ে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে জেটি ও টার্মিনাল ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে বিআইডব্লিউটিএ এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ই-ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড এর মধ্যে একটি চুক্তিপত্র স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তবে এসব কথা বলেন।<\/p><p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার সুসমন্বিত উন্নয়নে বিশ্বাসী। ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সড়ক পথে রাজধানী ঢাকার সাথে সারাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের জেলা সদরের যোগাযোগের সময় কমিয়ে ৫ থেকে ৬ ঘন্টার মধ্যে করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটা বাস্তবায়ন করতে পারেননি। ২০০১ সালে দেশে ভয়াবহ দুঃশাসন এসেছিল। যোগাযোগ তো দূরের কথা, মানুষের নিরাপত্তা ছিলনা। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ বিভীষিকাময় অবস্থা তৈরি করেছিল। <\/p><p>তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সন্দ্বীপসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে ক্যাবল এর মাধ্যমে নদীর তলদেশে দিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় সন্দ্বীপের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে। সন্দ্বীপে ৭০০ মিটার দৈর্ঘ্যের জেটি আছে। সন্দ্বীপের মানুষের চাহিদা অনুযায়ী রাতে চলাচলের জন্য বিআইডব্লিউটিএ এর পক্ষ থেকে সন্দ্বীপ চ্যানেলে 'বয়া' বসানো হয়েছিল।<\/p><p>নতুন জেটি ও টার্মিনাল ভবনের মাধ্যমে সন্দ্বীপের মানুষের দীর্ঘদিনের দুঃখ-কষ্ট করা যাবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নতুন এ জেটি নির্মাণ দ্রুত বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসবে। সন্দ্বীপ অংশে আরসিসি জেটি নির্মাণসহ আনুষঙ্গিক কাজটি করবে ই-ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড।<\/p><p>এ লক্ষ্যে আজ ঢাকায় হোটেল সোনারগাঁয়ে বিআইডব্লিউটিএ এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ই-ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড এর মধ্যে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন বিআইডব্লিউটিএ'র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক এ এস এম আশরাফুজ্জামান এবং ই-ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের পরিচালক তরফদার মো. রুহুল সাইফ। <\/p><p>এসময় অন্যান্যের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামাল, বিআইডব্লিউটিএ'র চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, ই-ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান তরফদার মো. রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।<\/p><p>উল্লে<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_9700.webp","created_at":"2023-12-30 15:48:00","views":"45","is_featured":"0","author":"নিজস্ব প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5725","title":"শীতকালীন সবজিতে নেই স্বস্তি, মুরগির দামও বাড়তি","category":"বাণিজ্য","content":"<p>“এহন বাজারের যে অবস্থা, কোনোরকমে টাইনা-টুইনা চলা লাগে। সংসার চালানোতে হিমশিম খাইতাছি। বাসা ভাড়া, মাইয়ার পড়ালেহার খরচ, খাবারের খরচ, সবকিছু মিলা চাপে আছি”, বলেন এক রিকশাচালক।<\/p><p>কাঁচা বাজারে শীতকালীন শাক-সবজির সরবরাহ বাড়লেও দামে উল্টো প্রবণতাই দেখা যাচ্ছে।<\/p><p>গত সপ্তাহের তুলনায় শুক্রবার রাজধানীতে বেশ কিছু সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। আগের সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দামও।<\/p><p>ঢাকার মোহাম্মদপুর টাউনহল বাজারে দেশি টেমেটো বিক্রি হচ্ছিল মানভেদে ৯০ টাকা থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে, যা আগের সপ্তাহে ৮০ টাকা ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গত সপ্তাহে ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৩৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায় মিললেও এ সপ্তাহে কিনতে হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। শিমের দামও কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।<\/p><p>শুক্রবার বেগুন প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৭০ টাকা, করলা ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, পুরনো আলু ৫৫ টাকা, নতুন আলু ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা যায়।<\/p><p>এ বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছিল প্রতি কেজি ২০০ টাকায়, যা আগের সপ্তাহে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকার মধ্যে ছিল। গরুর মাংস আগের মতই প্রতি কেজি ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। অপরিবর্তিত ফার্মের ডিমের দাম, প্রতি হালি ৪৫ টাকা। তবে ডজন হিসাবে কিনলে ১৩০ টাকায় মিলছে।<\/p><p>বাজারে রুই মাছ (বড়) প্রতি কেজি ৫০০ টকা, মাঝারি ৪২০ টাকা এবং ছোট রুইমাছ প্রতি কেজি ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।<\/p><p>শীতকালীন শাক-সবজির কারণে দাম কমার আশা করছিলেন ক্রেতারা। কিন্তু কমার পরিবর্তে আরও বেশি দরে বিক্রি হওয়ায় বিক্রেতাদের সঙ্গে তর্কেও জড়াচ্ছেন অনেকে।<\/p><p>টাউনহল কাঁচাবাজারে শুক্রবার এক ক্রেতাকে দেখা যায় সবজি বিক্রেতার সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়াতে। রবিন মিয়া নামে স্থানীয় এক ক্রেতার সঙ্গে সবজি বিক্রেতা মো. খোরশেদের দামাদামি নিয়ে কথাকাটাকাটি হচ্ছিল।<\/p><p>খোরশেদ তখন রবিনকে বলছিলেন “দাম বাড়নে আপনেরাও বিপদে আছেন, আমরাও বিপদে আছি। আমনেগো লগে এমনে রাগারাগির ইচ্ছা অয় না। আমাগো বেশি দামে কিনতে অয়, তাই বেশি দামেই বেছুন লাগে।”<\/p><p>বিক্রেতারা বলছেন, সবজির সরবরাহ বাড়লেও পাইকারি বাজারে দামও ছিল বাড়তি। ফলে খুচরায় তারা গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম কিছুটা বাড়িয়েছেন।<\/p><p>টাউনহল বাজারে আলু, রসুন ও পেঁয়াজ বিক্রেতা মো. আলম বলেন, “বাজারে এখন নতুন, পুরনো ও আমদানি করা সব রকমের পেঁয়াজই আছে। তবে সরবরাহের চাপ না বাড়ায় গত সপ্তাহের তুলনায় দামে তেমন একটা হেরফের হয়নি।”<\/p><p>মোহাম্মদপুর টাউনহলের আশেপাশে রিকশা চালান মো. লিটন। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, “এহন বাজারের যে অবস্থা কোনোরকমে টাইনা-টুইনা চলা লাগে। এহন শাক-সবজি সবেরই দাম আছে। আর আমাদের রিকশার বাজারও ভালো না।<\/p><p>“সকাল থেইকা এখন পর্যন্ত মাত্র একটা খ্যাপ মারছি। দিনে আট থেকে নয় ঘণ্টা রিকশা চালাইলে পাঁচশ টাকার মত থাকে। যা দিয়া সংসার চালানোতে হিমশিম খাইতাছি। বাসা ভাড়া, মাইয়ার পড়ালেহার খরচ, খাবারের খরচ সবকিছু মিলা চাপে আছি।”<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_9658.webp","created_at":"2023-12-22 18:30:00","views":"63","is_featured":"0","author":"নিজস্ব প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5724","title":"নরসিংদী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রাজু, সম্পাদক তুহিন","category":"মিডিয়া","content":"<p>নরসিংদী সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি ঘোষণা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের অরবিট রেস্টুরেন্ট এন্ড পার্টি সেন্টারের আনুষ্ঠানিকভাবে কমিটি ঘোষণা করা হয়। <\/p><p>কমিটিতে দৈনিক রুপালী বার্তার যুগ্ম সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রাজুকে সভাপতি ও এমপি নিউজের স্টাফ রিপোর্টার তুহিন ভূঁইয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরে কমিটির সকলের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।<\/p><p>অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ ড. মশিউর রহমান মৃধা, নরসিংদী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম, নরসিংদী জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি এ্যাড. কাজী নাজমুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মোবারক হোসেন, সাবেক সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান, অরবিট ইন্সটিটিউটের পরিচালক প্রকৌশলী মো. সুজন খন্দকার, প্রেসক্লাবের সাবেক কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, মাধবদী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মকবুল হোসেন, নরসিংদী জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান ও নরসিংদী প্রেসক্লাবের সদস্য লক্ষণ বর্মণসহ প্রমুখ।<\/p><p>কার্যনির্বাহী কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি দৈনিক বাংলার নব কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি মো. আমির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাংলা নিউজ২৪ এর জেলা প্রতিনিধি সুজন বর্মন দীপ, কোষাধ্যক্ষ ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি তন্ময় সাহা, দপ্তর সম্পাদক সকালের সময়ের স্টাফ রিপোর্টার ঈদুল ফিতর, কার্যনিবার্হী সদস্য, দৈনিক গ্রামীণ দর্পণের সহকারী সম্পাদক কাজী ফয়জুল জালাল লিমন, হলিপেন নিউজের সম্পাদক সারোয়ার হোসেন খান ও দৈনিক কালবেলা’র বেলাব প্রতিনিধি আলমগীর পাঠান।<\/p><p>অনুষ্ঠানে নরসিংদী ইনডিপেনডেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ ড. মশিউর রহমান মৃধা বলেন, সাংবাদিকতার নিয়মনীতি মেনে সাংবাদিকতা করতে হবে। নিজেদেরকে বর্তমান সময়ের সাথে নিজেকে আধুনিক করে তুলতে হবে। খারাপ ঘটনাগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি নরসিংদীর সম্ভাবনা ও সাফল্য সংবাদগুলো ও আপনাদের লেখনির মাধ্যমে তোলে আনবেন। আমি নরসিংদী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাফল্য কামনা করছি।<\/p><p>নরসিংদী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম বলেন, সমাজের দুর্নীতি, অপরাধ, সম্ভাবনা ও সাফল্য সাংবাদিকদের কলমের মাধ্যমে তোলে ধরতে হবে। সাংবাদিকদের সমাজের দর্পন হয়ে কাজ করতে হবে। নিজেদের আদর্শ বিচ্যুতি হয় এমন কোন কাজ করা যাবে না। আজকে সাংবাদিকতা পেশায় তরুণদের জয়জয়কার। নরসিংদীতেও আমরা তরুণদের স্বাগত জানাই। নরসিংদী প্রেসক্লাব সকল সাংবাদিকদের পাশে আছে। সাংবাদিক ইউনিয়নের এই নবযাত্রাকে শুভকামনা জানাই।<\/p><p>নরসিংদী জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি এ্যাড. কাজী নাজমুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিক ইউনিয়নে অভিজ্ঞ ও তরুণদের সমাবেশ ঘটেছে। যারা সকলেই তাদের লেখার মাধ্যমে জেলায় সুপরিচিত। আশা করি তারা সমাজের সকল মানুষের জন্য কলম ধরে ন্যায় বিচার পেতে সহায়তা করবে।<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_3710.webp","created_at":"2023-12-23 05:34:00","views":"30","is_featured":"0","author":"নিজস্ব প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5723","title":"সোনার দামে রেকর্ড, ভরি ছাড়িয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার টাকা","category":"বাণিজ্য","content":"<p>পাঁচ দিনের ব্যবধানে আরও এক দফা বাড়ল সোনার দাম। এবার প্রতি ভরিতে বেড়েছে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭৫০ টাকা। ফলে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দাঁড়াচ্ছে ১ লাখ ১১ হাজার ৪১ টাকা। দেশের বাজারে এটিই সোনার সর্বোচ্চ দাম। এতদিন যার দাম ছিল ১ লাখ  ৯ হাজার ২৯২ টাকা।<\/p><p>শনিবার ( ২৩ ডি‌সেম্বর) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।<\/p><p>বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (২৪ ডিসেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হবে।<\/p><p> <\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_4519.webp","created_at":"2023-12-23 14:20:00","views":"32","is_featured":"0","author":"নিজস্ব প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5722","title":"টানা চতুর্থবার বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড স্বীকৃতি পেল বসুন্ধরা এলপি গ্যাস","category":"বাণিজ্য","content":"<p>বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ডের ১৫তম আসরে এলপি গ্যাস ক্যাটাগরিতে বেস্ট ব্র্যান্ডের স্বীকৃতি পেল বসুন্ধরা এলপি গ্যাস। টানা চতুর্থবারের মতো এ অ্যাওয়ার্ড জিতল দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ব্র্যান্ডটি।শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর ‘প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও’ হোটেলে জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের পক্ষ থেকে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন- ক্যাপ্টেন শেখ এহসান রেজা (চিফ হিউম্যান রিসোর্স অফিসার, সেক্টর-এ, বসুন্ধরা গ্রুপ), এম এম জসীম উদ্দীন (সিওও, ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং, সেক্টর-এ), মাহবুব আলম (চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লি.), সাদ তানভীর (সিওও, অপারেশন্স, বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক কেরানীগঞ্জ), এ কে শামসুদ্দীন আহমেদ চৌধুরী (সিওও, প্রজেক্টস এন্ড অপারেশন, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লি.), জাকারিয়া জালাল (হেড অব স্ট্র্যাটেজি, প্ল্যানিং এবং পাবলিক রিলেশন্স, সেক্টর-এ, বসুন্ধরা গ্রুপ), মো. রেদোয়ানুর রহমান (হেড অফ সেলস, বসুন্ধরা এলপি গ্যাস লি.), মাকসুদ আলম (ডিজিএম, ইন্টারনাল অডিট এন্ড কম্প্লিনেন্স, সেক্টর এ, বসুন্ধরা গ্রুপ), এবং কাজী রোকন উদ্দীন, এজিএম (ব্র্যান্ড এন্ড মার্কেটিং- বসুন্ধরা এলপি গ্যাস, মিডিয়া এন্ড পিআর- সেক্টর এ, বসুন্ধরা গ্রুপ)।<\/p><p>বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহান, এই অর্জনে বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের অগণিত গ্রাহক, পরিবেশক, রিটেইলার, সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শুভানুধ্যায়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, এর আগে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সুপার ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড পরপর তিনবার অর্জন করেছিল বসুন্ধরা এলপি গ্যাস।দেশের ব্র্যান্ডগুলোকে অনুপ্রাণিত করতে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম গত ১৫ বছর ধরে বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে সর্বাধিক প্রিয় ব্র্যান্ডকে সম্মানিত করে চলেছে। বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ডের মূল উদ্দেশ্য কঠোর প্রচেষ্টার মাধ্যমে অর্জিত ব্র্যান্ডগুলোর সাফল্যের প্রদর্শন এবং উদযাপন।<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_4756.webp","created_at":"2023-12-24 13:34:00","views":"46","is_featured":"0","author":"নিজস্ব প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5721","title":"টানা ষষ্ঠবার “বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড” স্বীকৃতি পেলো বসুন্ধরা টিস্যু","category":"বাণিজ্য","content":"<p>বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড এর ১৫তম আসরে নিয়েলসেন জরিপের ভিত্তিতে টিস্যু ক্যাটাগরিতে বেস্ট ব্র্যান্ডের স্বীকৃতি পেলো বসুন্ধরা টিস্যু। গত শনিবার রাতে প্যান প্যাসিফিক – এ অনুষ্ঠিত হওয়া জমকালো এক অনুষ্ঠানে এ অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন  বসুন্ধরা পেপার  মিলস্‌ লিমিটেড এর চিফ সেলস অফিসার, মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান; হেড অফ ডিভিশন, মার্কেটিং, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবেলিটি,মোহাম্মদ তৌফিক হাসান; হেড অফ মার্কেটিং, মোহাম্মদ আলাউদ্দীন ও মার্কেটিং ম্যানেজার, ইমরানুল কবির।<\/p><p>‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণকালে বসুন্ধরা টিস্যুর অগণিত গ্রাহক, পরিবেশক, ডিলার, সকল সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন  হেড অব মার্কেটিং, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন । তিনি বলেন, “বসুন্ধরা টিস্যু যাত্রার শুরু থেকেই গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহ করে আসছে। আর এ কারণেই সবসময় ভোক্তাদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে ব্র্যান্ডটি”।<\/p><p>উল্লেখ্য, নিয়েলসেন বাংলাদেশের অংশীদারিত্বে এবং ডেইলি স্টারের পৃষ্ঠপোষকতায় এ বছরের “বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড” আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরা ব্র্যান্ড বাছাই করতে বিশ্বমানের ‘উইনিং ব্র্যান্ডস’ জরিপ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। দেশের সকল বিভাগ থেকে ভোক্তারা এই জরিপে অংশ নেন।<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721100_6519.webp","created_at":"2023-12-23 23:26:00","views":"33","is_featured":"0","author":"নিজস্ব প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5720","title":"নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে কি ভাবছে আ.লীগ","category":"মতামত","content":"<p>বাংলাদেশের আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের তোড়জোড়, অনেক জায়গায় স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সাথে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস এবং জাতীয় পার্টি-সহ ক্ষমতাসীন দলের মিত্রদের অংশগ্রহণ সত্ত্বেও নির্বাচনটি আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা কতটা পাবে, তা নিয়ে প্রবল সংশয় রয়েই গেছে।<\/p><p>এমনকি প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল এবং নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমানও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্ভাব্য পদক্ষেপের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন ভালো নির্বাচন না হলে ‘দেশের ভবিষ্যৎ ভালো হবে না’।<\/p><p>এসব উদ্বেগ উৎকণ্ঠার মধ্যেই নির্বাচনের একেবারে দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছেছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন। আগামী ৭ জানুয়ারির এই নির্বাচন বিএনপি ও সমমনা দলগুলো বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর অনেক আসনে সরকারি দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করার সুযোগ পেয়েছেন দলটিরই অনেক নেতা।<\/p><p>আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ডঃ আব্দুর রাজ্জাক বলছেন. নির্বাচনের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সংকটের এখন আর কোনও কারণ আছে বলে তার দল আওয়ামী লীগ মনে করে না। নির্বাচন জমে উঠেছে ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বিএনপি আসলে আরও ভালো হতো। কিন্তু নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে তারা আসেনি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো জনগণের অংশগ্রহণ বা জনসমর্থন। দেশের মানুষ নির্বাচনে সামিল হওয়ায় তাই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে অস্বস্তিতে থাকার কোনও কারণই আর নেই।<\/p><p>যদিও সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেন বলছেন, নির্বাচনটি যত ভালোই হোক সবাই জানে কারা ক্ষমতায় আসবে এবং সে কারণে পশ্চিমারা যে মানের নির্বাচন চেয়েছিলো সেই প্রত্যাশা তাদের পূরণ হয়ে গেছে বলে মনে হয় না। পশ্চিমারা আগেই বলেছে তারা কেমন নির্বাচন চায়। সেটি না হলে কী ধরণের ব্যবস্থা হতে পারে তার ইঙ্গিতও তারা আগেই দিয়েছে। তাদের অনেক কংগ্রেসম্যান স্যাংশনের কথা বলেছেন। সে কারণে নির্বাচন নিয়ে তাদের আপত্তি থেকেই গেলে নানা আশঙ্কা থেকেই যায়।<\/p><p>এদিকে, নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে যুক্তরাষ্ট্র শক্ত অবস্থান নেয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নও নির্বাচন প্রশ্নে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এমনকি তারা নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষণ দল না পাঠানোর কথাও জানিয়ে দিয়েছে।<\/p><p>এমন প্রেক্ষাপটে কিছু আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী দিয়ে জনগণের অংশগ্রহণ কতটা নিশ্চিত হবে তা নিয়ে যেমন উদ্বেগ আছে আবার তেমনি নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমারা কী ব্যবস্থা নেয় তা নিয়েও অস্বস্তি আছে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে।<\/p><p>ডঃ আব্দুর রাজ্জাক বলছেন, নির্বাচনের পরেও সবার কাছে জনসমর্থনের বিষয়টিই বিবেচ্য হবে বলে তারা মনে করছেন।<\/p><p>বাংলাদেশের জনগণ কী চাইছে সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। তারা নির্বাচনে সামিল হলে বিদেশিদের কিছু বলার থাকবে বলে মনে হয় না। আর মানুষ ইতোমধ্যেই নির্বাচনের জোয়ারে এসে গেছে।<\/p><p>অবশ্য আওয়ামী লীগের একটি বড় অংশ বিশ্বাস করেন যে- বাংলাদেশের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে তার সাথে নির্বাচনের কোনও সম্পর্ক নেই। তারা মনে করেন, এটি রাশিয়া, চীন ও ভারতের সাথে ভূ রাজনৈতিক কৌশলের একটি প্রতিফলন এবং বাংলাদেশ এক্ষেত্রে তার ‘ভিকটিম’ মাত্র।<\/p><p>তবে এটিও সত্য যে নেতারা যাই বলুন বা যেভাবেই বিশ্লেষণ করুন দলের সাধারণ নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্র কোনও পদক্ষেপ নেয় কি না, কিংবা নিলে কী ধরণের পদক্ষেপ নিতে পারে- এসব নিয়ে রীতিমতো আলোচনা আছে।<\/p><p>প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনকে ব্যাহত করতে পারে এমন ব্যক্তিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্র আগেই ভিসা নীতি ঘোষণা করে তার প্রয়োগ শুরুর কথা জানিয়েছে।<\/p><p>দেশটির কয়েকজন আইনপ্রণেতা মানবাধিকার ও নির্বাচন ইস্যুতে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করে বাংলাদেশ সরকারের ওপর চাপ তৈরিরও পরামর্শ দিয়েছেন সে দেশের সরকারকে। সূত্র : বিবিসি বাংলা<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721099_6994.webp","created_at":"2023-12-24 23:33:00","views":"2273","is_featured":"0","author":"বাংলারআলো প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null},{"id":"5719","title":"বিএনপি-জামায়াত ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে যেখানে বাধা","category":"মতামত","content":"<p>একদফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে না থাকলেও বিএনপির সঙ্গে মিল রেখে অভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে জামায়াতে ইসলামী। সরকার পদত্যাগের দাবি আদায়ে আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামতে চাইছে এ দুই দল। এ নিয়ে তাদের একাধিকবার বৈঠকও হয়েছে। জামায়াতকে সঙ্গী করতে ইতোমধ্যে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা মিত্রদের দুটি প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এক মঞ্চে আন্দোলনে আপত্তি জানিয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ।<\/p><p>তবে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়াসহ বৃহত্তর স্বার্থে জামায়াতকে যুগপৎ আন্দোলনে রাখার বিষয়ে সম্মত মঞ্চের নেতারা।<\/p><p>এ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে কিছুটা দূরত্বও চলছে গণতন্ত্র মঞ্চের, যা চলমান আন্দোলনেও প্রভাব পড়েছে। যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসাবে ‘অসহযোগের’ মধ্যে রোববার দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে।<\/p><p>গণতন্ত্র মঞ্চ একই কর্মসূচি দেওয়ার কথা থাকলেও এদিন প্রথমবারের মতো তারা ভিন্ন কর্মসূচি বিক্ষোভ মিছিল পালন করেছে। আবার নতুন তিন দিনের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি দিলেও তা গণতন্ত্র মঞ্চ দিয়েছে দুই দিনের।<\/p><p>এদিকে এ নিয়ে এখনই নেতারা প্রকাশ্যে কোনো কথা বলতে চাইছেন না। বিষয়টি সমাধান করে জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত মাঠে নামতে চান নেতারা। এজন্য বিএনপির এক শীর্ষ নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য গড়তে আপত্তি নেই অন্যান্য সমমনা দল ও জোটের। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।<\/p><p>৭ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন। সময় কম, তাই ভোট বর্জন করা রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ঐক্য ধরে রেখে রাজপথে আন্দোলন জোরদার করতে মরিয়া। গণতন্ত্র মঞ্চের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, জামায়াত ইস্যুতে বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের দুটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।<\/p><p>যার একটি হলো-জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনরত দলগুলো একমঞ্চে আসবে। বিকল্প আরেকটি-জামায়াতকে যুগপতে এনে অন্যরা এক মঞ্চে থেকে আন্দোলনে নামবে।<\/p><p>শুক্রবার গণতন্ত্র মঞ্চের সভায় এ দুই প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জামায়াতকে নিয়ে এক মঞ্চে আন্দোলনের বিষয়ে একটি দল ছাড়া গণতন্ত্র মঞ্চের বাকি পাঁচ দলই আপত্তি জানায়।<\/p><p>সভায় উপস্থিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শীর্ষ নেতা জানান, জামায়াতকে নিয়ে এক মঞ্চ থেকে আন্দোলন করা সম্ভব বলে তারা মনে করছেন না। এটি হলে মঞ্চ সেই উদ্যোগে থাকবে না। তাই যুগপতের ওপরই গুরুত্ব দিচ্ছেন। এছাড়া জামায়াতকে নিয়ে বিএনপি যুগপতে থাকলে গণতন্ত্র মঞ্চের ভূমিকা কী হবে?<\/p><p>৩১ দফার ভিত্তিতে তারা এক বছর ধরে যুগপতে আছেন। তাদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে কর্মসূচিতেই থাকতে চান। রাজপথের ঐক্যটাই গুরুত্বপূর্ণ। আন্দোলন এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছেছে, আরেকটু গতি পেলেই সফলতা আসবে।<\/p><p>অর্থাৎ চূড়ান্ত পর্যায়ে যদি এ ধরনের ঐক্য রাজপথে গড়ে ওঠে, সে ঐক্য তো হতেই পারে। কিন্তু এ মুহূর্তে সেই ঐক্যের বাস্তবতা নেই বলে তারা মনে করেন।<\/p><p>যুগপৎ ধারায় যে আন্দোলন করে এসেছেন, তা জনগণের সমর্থন পেয়েছে, তারা গ্রহণ করেছেন। চলমান আন্দোলনে রাজপথ দখলে নেওয়ার মতো জামায়াতের সে ধরনের কোনো তৎপরতা এখনো দেখা যায়নি। তাই জামায়াত ঐক্যে এলেই যে সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নামবে, তা বিশ্বাস করা কঠিন।<\/p><p>অবশ্য সমমনা অন্যান্য দল ও জোটের নেতারা জানান, সময় বেশি নেই। তাই ভোট ও মাঠের শক্তি হিসাবে জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের এখনই সময়। অতীতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও জামায়াতকে নিয়ে আন্দোলন করেছিল। তাহলে জামায়াতকে নিয়ে বিএনপি আন্দোলন করলে দোষ কোথায়? নির্বাচনের আগ মুহূর্তে হঠাৎ গণতন্ত্র মঞ্চের এমন মনোভাবকে তারা সন্দেহের চোখে দেখছেন।<\/p><p>কারণ হিসাবে সমমনা নেতারা বলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগেও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু ওই ফ্রন্ট বিএনপি নেতাদের বিভ্রান্ত করেছিল।<\/p><p>বিএনপি চেয়ারপারসনও দলের সিনিয়র নেতাদের বলেছিলেন, ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। তারা আশা করেন, দেশের এ ক্রান্তিকালে গণতন্ত্র মঞ্চ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। কারণ, জনগণ এই আন্দোলনের দিকে তাকিয়ে আছে।<\/p><p>এ নিয়ে জানতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা শেষ পর্যায়ে। দুদলই ইতিবাচক। সামনে এর প্রতিফলন দেখা যাবে। গণতন্ত্র মঞ্চও তাদের মিত্র। তারাও জনগণের মনোভাব, বাস্তবতা-সবকিছু উপলব্ধি করে জোরালো আন্দোলন চায়। বৃহত্তর স্বার্থে সবাই এক কাতারে আসবে বলে বিশ্বাস তাদের। এর কোনো বিকল্প নেই। যুক্তরাষ্ট্রসহ গণতান্ত্রিক বিশ্বও বাংলাদেশে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়।<\/p><p>কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না, একতরফা নির্বাচনের আয়োজন চলছে। সুতরাং গণতান্ত্রিক বিশ্বও তাদের সঙ্গে আছে।<\/p><p>জানা যায়, শনিবার জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক সভায় ‘প্রহসন ও ভাগবাঁটোয়ারার’ নির্বাচন আখ্যা দিয়ে তা বর্জন করে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলার প্রস্তাব গৃহীত হয়। এজন্য সর্বশক্তি নিয়ে তারা মাঠে থাকবেন।<\/p><p>জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘দুদলের আরও কাছাকাছি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এ নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে। যখন হয়ে যাবে, তখন তো বাস্তবে দেখা যাবে।’<\/p><p>যুগপৎ আন্দোলনের শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বলেন, ‘বর্তমানে যে জামায়াত আছে, তাদের মধ্যে কেউ স্বাধীনতাবিরোধী নেই। আওয়ামী লীগ বারবার জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। ১৯৮৬ সালেও আন্দোলনের সময় জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল। অথচ সেদিন বিএনপি অংশগ্রহণ করেনি, শক্তভাবে আন্দোলন করেছি।<\/p><p>একই আওয়ামী লীগ ১৯৯৫ সালে জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল।<\/p><p>বিষয়টা এরকম-আওয়ামী লীগের যখন প্রয়োজন হয়, জামায়াতকে বিএনপির বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দ্বিধাবোধ করে না। এখন যে বা যারা সরকারবিরোধী আন্দোলনে আছে, তারা যদি জামায়াতের বিরুদ্ধে কথা বলে, তবে তা জোরালোভাবে সরকারকে সাহায্য করা হবে।’<\/p><p>১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ‘জামায়াতকে নিয়ে আন্দোলনে কোনো আপত্তি নেই। এখন অত্যন্ত কঠিন একটা সময় পার করছি। এ সময়ে আমরা আমাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনা বাদ দিয়ে গণতন্ত্র উদ্ধারের লড়াইয়ে নিয়োজিত হওয়া দরকার।<\/p><p>অতীতে বিএনপিকে হটানোর জন্য আওয়ামী লীগ ও জামায়াত নেতারা যদি এক মঞ্চে বসতে পারে, তাহলে আমরা এখন বিএনপি, গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোট, ইসলামী আন্দোলন, জামায়াতে ইসলামী এক মঞ্চে বসতে কোনো অসুবিধা দেখছি না। এ ধরনের উদ্যোগ আমাদের লক্ষ্য আর্জনের জন্য অনেক সহায়ক হবে।’<\/p><p>জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বলেন, ‘সরকারকে পতন করার জন্য যারা সক্রিয়ভাবে মাঠে কাজ করবে, তাদেরই শুভেচ্ছা জানাব। জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনেও কোনো আপত্তি নেই।’<\/p><p>গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, ‘ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফরম করলে আন্দোলনের জন্য ভালো হবে। তবে সেটা করার আগে একটা বিষয় বিশ্লেষণ করতে হবে-আমাদের যে যুগপৎ আন্দোলন চলছে, এর প্রতি আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি কী এবং দেশের মানুষের দুষ্টিভঙ্গি কী। সেখানে যদি বেশির ভাগ মানুষ মনে করে যে, এক প্ল্যাটফরমে আসাটা পজিটিভ, তাহলে করা ভালো।<\/p><p>আর যদি আন্তর্জাতিক এবং দেশের নাগরিক সমাজ কিংবা গণমাধ্যম বিভিন্ন ক্ষেত্রে যদি এক প্ল্যাটফরমে আসার জন্য কিছুটা প্রতিবন্ধকতা থাকে, সেটাও বিবেচনা করা দরকার।’<\/p><p>বহুবছর বিএনপির সঙ্গে মিত্র ছিল জামায়াতে ইসলামী। ২০ দলীয় জোট ভাঙার পর জামায়াত এককভাবে পৃথক কর্মসূচি পালন করছে। এর মধ্যে কয়েকটি ইস্যুতে এ দুদলের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়। তবে বেশ কিছুদিন ধরে সরকারের পদত্যাগের একদফা দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে না থাকলেও অভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে জামায়াত।<\/p><p>দলটির একাধিক নেতা জানান, পনেরো বছর ধরে বিএনপির বহু নেতাকর্মী হত্যা-গুম, হামলা-মামলা ও গ্রেফতারের শিকার হয়েছেন। কিন্তু জামায়াতের নেতাকর্মীরাও কম নির্যাতিত নন। হত্যা-গুম, হামলা-মামলা ও গ্রেফতারের শিকার অনেক নেতাকর্মী। এখন চূড়ান্ত আন্দোলন চলছে। পেছনে না তাকিয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এখনই সময়।<\/p><p>সূত্রমতে, জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের বিষয়ে আপত্তির কথা বিএনপিকে জানিয়েছে গণতন্ত্র মঞ্চ। কিন্তু আন্দোলনের এ চূড়ান্ত পর্যায়ে এ বিষয়ে ‘চুপ’ থাকার কৌশল নিয়েছে সব পক্ষই। গণতন্ত্র মঞ্চের শীর্ষ নেতা জেএসডির<\/p><p>সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী থাকলে আমরা আন্দোলনে আছি, না থাকলে যুগপৎ আন্দোলনে-বিষয়টি এমন না। যুগপৎ আন্দোলন অব্যাহত রাখতে চাই। এই সরকারের বিরুদ্ধে যে শক্তি আমরা সঞ্চয় করেছি, তাতে জনগণ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করবে।’<\/p><p>এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কোনো বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে কোনো দূরত্ব নেই। আমরা অবরোধ থেকে বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ মিছিল দিইনি। কখনো যুগপতের কর্মসূচি হুবহু মিলবে, আবার কখনো হয়তো পার্থক্য থাকতে পারে বা নিজস্ব কর্মসূচির মতো করা হতে পারে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যে লড়াই হচ্ছে, সে জায়গায় আমরা ঐক্যবদ্ধ।’<\/p><p>বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘যুগপৎ ও যুগপতের বাইরে যারা আছেন, তারা মনে করি এখন এই পর্যায়ে যারা যে অবস্থানে আছেন, একই লক্ষ্যে আন্দোলনকে আরও জোরদার করা, আরও বিস্তৃত করা দরকার।<\/p><p>এর পরবর্তীকালে সব দল মিলে আন্দোলনকে যখন আরও তুঙ্গে নেওয়া হবে, তখন বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় কিংবা বোঝাপড়া অথবা আরও কাছাকাছি আসব। তখন নিশ্চয় আমরা উপযুক্ত একটা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। এখন আমরা স্ব স্ব জায়গায় যেখানে আছি, সেখানে থেকেই আন্দোলন এগিয়ে নিতে চাই।’<\/p>","image_url":"https:\/\/demo.sobarkotha.com\/uploads\/news_1789721099_7707.webp","created_at":"2023-12-25 13:49:00","views":"2968","is_featured":"0","author":"বাংলারআলো প্রতিবেদক","tags":null,"video_url":null,"sub_category":null}]